click on images to know more about the Images
দক্ষিণ ২৪ পরগনার চণ্ডীপুর গ্রাম,
কুলপি থানার অন্তর্গত বিখ্যাত নাম
যাঁর নামে হল খ্যাত, ইতিহাস মাঝে
তিনি বীর পুণ্ড্র হয়ে হৃদয়ে বিরাজে ।
১৯৩৪ খ্রিস্টাব্দের ৭ অক্টোবরে,
পুণ্ড্র জাতির সাধারণ কৃষক পরিবারে,
পুরাতাত্ত্বিক ঐতিহাসিক নরোত্তম হালদার
লক্ষ্মীভারতী মায়ের ও বিরিঞ্চি মাধব বাবার
কোল আলো করে এলো গবেষক বীর ।
বিচার-বিশ্লেষণে অতি প্রাজ্ঞ, ধীর, স্থির ।
বাড়ি তাঁর কাকদ্বীপ, পেশা শিক্ষকতা ।
গঙ্গারিডাই রাজ্যের গবেষণাগাথা ,
পুনরুদ্ধার কল্পে করে সযতন
"গঙ্গারিডি গবেষণা কেন্দ্র" গড়েন মনের মতন ।
আর্থিক অভাব ছিল এ কাজে আগানো,
আরো প্রতিবন্ধকতা হল জাতিকে জাগানো ।
এ ঘুমন্ত জাতির তিনি একক নির্ভীক
নিরলস গবেষণায় জাগ্রত সৈনিক ।
শোনো সবে পুণ্ড্র-পৌণ্ড্র মোর আপনজন,
"গঙ্গারিডি: ইতিহাস ও সংস্কৃতির উপকরণ "
এই অমূল্য গ্রন্থ খানি যিনি লিখলেন ,
পৌণ্ড্র বাসুদেবের তিনি উত্তরপুরুষ ছিলেন ।
ঐতেরেয় ব্রাহ্মণ হল আর্য সাহিত্য,
তথায় পৌণ্ড্র বাসুদেবের নাম আছে লিখিত ।
যিনি ছিলেন শৌর্য্য- বীর্য্যে পরাক্রমশালী,
অজেয়, জেনে আর্যরা দেন 'রাক্ষস' গালি ।
তাঁরই সুযোগ্য একালের জ্ঞানী কলাকার ,
গঙ্গারিডি গবেষক তিনি নরোত্তম হালদার ।
গ্রীক ও লাতিন সহ প্রাচীন সাহিত্য কত ,
উৎখননে প্রাপ্ত প্রত্ন দ্রব্য যত ,
গঙ্গারিডাই জাতির বীরত্ব কথন ,
কহে বাস্তবতা সহ করিয়া যতন ।
গাঙ্গে নামে সমৃদ্ধ বন্দরের দ্বারা ,
এ বীর জাতির লোক বাণিজ্য পসরা
নিয়ে যেতো দেশান্তরে, সুপ্রাচীনকালে,
সিন্ধু সভ্যতার সমসাময়িক গবেষকগণ বলে।